তুরাগ থানা আ. লীগ জনপ্রিয়তা ও স্বচ্ছতায় এগিয়ে জাহিদ হাসান


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৩, ২০২২, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন / ১০১৫
তুরাগ থানা আ. লীগ জনপ্রিয়তা ও স্বচ্ছতায় এগিয়ে জাহিদ হাসান

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সব থানা ও ওয়ার্ডের সম্মেলন শেষ। দক্ষিণের সম্মেলনও একদম শেষের পথে। দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলেনের আগেই গঠন করতে হবে মহানগরের সব কমিটি। শীর্ষ নেতার নির্দেশনা মেনে কমিটি গঠনে চলছে শেষ মুহূর্তের জোর তৎপরতা। হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারীদের ছেঁটে ফেলে ত্যাগী, জনপ্রিয় ও সাবেক ছাত্র নেতাদের অগ্রাধিকার দিয়ে গঠিত নির্বাচনমুখী এই কমিটির যে কোনো সময় ঘোষণা আসবে বলে জানা যাচ্ছে।

তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ২৪ জুলাই। নেতাকর্মীরা নতুন নেতাদের বরণ করে নিতে অপেক্ষার প্রহর গুনছে। শীর্ষ দুই পদ সভাপিত ও সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন একাধিক পদপ্রার্থী। তবে এদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততা সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সাবেক জনপ্রিয় ছাত্র নেতা বিএম জাহিদ হাসান।

ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগ তারপর যুবলীগ, শ্রমিকলীগ এবং ধারাবাহিকভাবে পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থেকে জনরাজনীতির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ লালন এবং কাজে রূপান্তর করা শেখ হাসিনার প্রকৃত বিশস্ত এই কর্মীকেই তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চাচ্ছে তুরাগের সর্বসাধারণ। বিপদ-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দুর্দিনে জীবন বাজি রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের আগলে রাখার উদারতাই বিএম জাহিদ হাসানকে সবার চেয়ে আলাদা এবং তুমুল জনপ্রিয় করে তুলেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের তৃণমল কর্মীরা। স্থানীয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জসিম উদ্দীন বলেন, বিএম জাহিদ হাসান একজন স্বচ্ছ এবং ত্যাগী নেতা। তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারণের কাছে সমানভাবে তুমুল জনপ্রিয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ ও লালন করা এবং আমাদের দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন বিএম জাহিদ হাসান ভাইকে তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চাই। জাহিদ ভাইকে এই পদ দেয়া হলে আমাদের সবার মনের আশা পূরণ হবে। এছাড়াও তুরাগ থানার সাধারণ মানুষ মনে করেন, বিএম জাহিদ হাসান তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হতে পারলে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত সমাজ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

 

উল্লেখ্য, বিএম জাহিদ হাসানের আছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পরিচয়। জাতির পিতার জন্মস্থান গোপালগঞ্জের সম্ভ্রান্ত আওয়ামী লীগ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তারপর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদ ভাল করেন এই ছাত্র নেতা। রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় যুবলীগ থেকে বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দল ও জনগণের জন্য কাজ করেন তিনি। দলের হাইকমান্ডের কাছে স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক অঙ্গিকার পূরণ করার ক্ষেত্রে সফলতা প্রমাণ করায় শ্রমিক লীগ তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য পদের দায়িত্ব দেয়া হয় জাহিদ হাসানকে।

 

আরো উল্লেখ্য যে, মরণঘাতি করোনা ভাইরাস মহামারি প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেশব্যাপী অসংখ্য অসহায় পরিবারকে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন বিএম জাহিদ হাসান। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে হঠাৎ বেকার হয়ে পড়া, ছিন্নমূল, সুবিধাবঞ্চিত, ভবঘুরে, ভিক্ষুক ও সমাজের অন্যান্য স্তরের সংকটাপন্ন মানুষকে এই সহায়তা প্রদান করেন তিনি। এছাড়া যেসব মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার নিজেদের অসচ্ছল অবস্থা প্রকাশে সংকোচবোধ করছে, কারো কাছে সাহায্য চাইতে পারছেন না, এমন পরিবারকে খুঁজে বের করে রাতের বেলা বাসায় বাসায় গিয়ে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা করেছেন তিনি।

 

এছাড়াও সাম্প্রতিককালে সিলেটের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার মো. আক্কাস আলীকে একটি বাড়ি উপহার দিয়েছেন জাহিদ হাসান। এছাড়াও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য আরো অনেক পরিবারকে রাড়ি নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এবং নিয়ম করে প্রতিবছর ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে অসহায় মানুষের হাতে খাবার তুলে দেন এই নেতা।