ভুয়া নামজারী দিয়ে জমি কেনাবেচা: নেপথ্যে ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালীরা।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৩, ২০২২, ৪:২৭ অপরাহ্ন / ২৫৮
ভুয়া নামজারী দিয়ে জমি কেনাবেচা: নেপথ্যে ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভুয়া নামজারি দিয়ে বিরুলিয়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির নামে থাকা জমি বিক্রি করার অভিযোগ তৎকালীন কমিটির বিরুদ্ধে।আর মূল্যবান এই দ্বিগুণ মৌজার ৩৩.৭৪ একর সম্পত্তিটি কিনেছেন ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালীরা।আর এসব জমিতে গড়ে উঠেছেন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।অবহেলিত বিরুলিয়া গ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা থাকলেও ভাগ্য পরিবর্তন হয়েনি।ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অসাধু কিছু লোকের।উন্নয়ন হয়েছে কমিটির দায়িত্বে থাকা কর্তাদের এর সাথে লাভবান হয়েছেন কিছু ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালীরা।আমাদের হাতে থাকায়, একটি দলিল ও বিরুলিয়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির নামে একটি নামজারী থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায়।একটি আরএস নামজারীতে দেখা যায়, মিরপুর ভূমি অফিস থেকে দ্বিগুন মৌজার আব্দুল কাদির মিয়া গংদের নামে খতিয়ান নাম্বার-৩৬৮/কাত, দাগ নাম্বার-১০২২ এর জমির পরিমান ৯.১০ একর নামজারী করা হয়। উল্লেখ্য, নামজারি ও ডিসিআরে তৎকালীন কমিটিতে থাকা ৭ জনের নামে দেখা যায়, ১। আব্দুল কাদের মিয়া ২। মোঃ ওয়াজুদ্দিন মিয়া, ৩। আব্দুল মালেক ৪। মোঃ জসিম উদ্দিন খান ৫। আলী আহম্মদ খান ৬। মোঃ নওশাদ,৭। হাজারী রাজবংশী।এই ৭ জনের নামে থাকা ভুয়া নামজারি দিয়ে বিক্রি করা হয়েছে নয় একর জমির আমাদের কাছে থাকা দলিল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দলিল দাতা হিসেবে স্বাক্ষর করেন। ভুয়া নামজারীতে থাকা ৭ জনের নাম ও স্বাক্ষর দেখা যায়।তাহলে বিরুলিয়া গ্রামউন্নয়ন কমিটির লোকেরা জেনেশুনেই বিক্রি করেছেন এসব জমি! নামজারী বিষয়ে জানতে চাইলে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, মাহাতাব উদ্দিন বলেন, এই-নামজারি আমাদের অফিসে কোন রেকর্ড নাই।সম্ভবত এটা ভুয়া নামজারী। তিনি আরো বলেন, দ্বিগুণ মৌজার একাধিক দলিল নিয়ে একাধিক লোক নামজারি করতে আসন। অনুসন্ধানে ও কাগজপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, বিরুলিয়া গ্রামউন্নয় কমিটির নামে থাকা দলিলে উল্লেখ, বিরুলিয়া জনসাধারণের পক্ষে আপনারা দলিল গ্রহিতা গন কেবল মাত্র তপশীল সম্পত্তি রক্ষনা বেক্ষন খাজনাদি আদায় করীতে পারিবেন। কিন্ত আপনারা দলিল গ্রহিতাগণ উহা কোন প্রকার হস্তান্তর করিতে পারিবেনা। যাহার ১৯/০৬/১৯৭০ তারিখে ঢাকা সদর জয়েন্ট সাব রেজিস্টার অফিসে না দাবী নামা দলিল নং ৫২২৯।তপশিল সম্পত্তির দিগুণ মৌজা ৪ দাগের ৩৩.৭৪ একর জমি। নাম প্রকাশে অনি”ছুক ¯’ানীয় বাসিন্দারা জানান, বিরুলিয়ার গ্রাম উন্নয়ন কমিটিতে থাকা কর্তারা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে গ্রামের সাধারণ মানুষ কমিটির লোকজনের বিরুদ্ধে কথা বলতেন না। অনেকের সাহস নিয়ে কথা বলার পরে বিভিন্ন ধরনের মামলা হামলার শিকার হয়েছেন এবং চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন, এসব জমি থেকে এখনও ভাড়া উত্তোলন করে খা”েছন কমিটির লোকজন। সুযোগ সুবিধা নি”েছন দখলদারদের থেকে। গুটি কয়েক টি লোকের অনিয়মের দুর্নীতি কারণে বঞ্চিত হয়েছে বিরুলিয়া গ্রামের এর সাধারণ মানুষ। লাভবান হয়েছেন, ভূমিদস্যুরা। বর্তমানে এবস জমিতে রয়েছে পিয়াংকা শুটিং স্পর্ট, পেট্রোল পাম্প, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট, বালু গদি, রেডি মিক্স সহ বিভিন্ন বানিজ্যিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।যোগসাজশ করে কেউ তাঁদের জমি আত্মসাতের চেষ্টা করছেন। করছেন। জানতে চাইলে, তৎকালীন সভাপতি আবদুল কাদের মিয়া জানান, এই জমির নামজারি সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। প্রশ্ন ছিল, তাহলে কিভাবে নামজারি ছাড়া জমি বিক্রি করা হইছে । তিনি বলেন দখল নিয়ে খা”েছ তারা। আমাদের হাতে নয় একর জমির একটি নামজারি খতিয়ান ও ডিসিয়ার ছিল, দেখার পর তিনি বলেন এটা আমরা করি নাই। প্রশ্ন ছিল, আপনি সভাপতি থাকাকালীন কোন জমি বিক্রি করছে কিনা? উত্তরে, না আমি কোন জমি বিক্রি করি নাই। আবার বলেন কিছু জমি বিক্রি করেছি। আমাদের হাতে একাধিক দলিল ছিল। একটা দলিল দেখানোর পর তিনি বলেন হ্যাঁ এটা আমরা বিক্রি করেছি, এটা অস্বীকার করার কিছু নাই, এবং স্বাক্ষর দেখে তিনি বলেন, হ্যাঁ এটা আমার স্বাক্ষর। এক যুগেরও বেশি তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আবদুল কাদের মিয়া।

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ৪:৪০ অপরাহ্ণ
  • ৬:৫২ অপরাহ্ণ
  • ৮:১৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:১১ পূর্বাহ্ণ