মিথ্যা ও নোংরা রাজনীতি প্রত্যাক্ষান করেছে বাঙালি জাতি


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৬, ২০২২, ৯:৪০ পূর্বাহ্ন / ৯১
মিথ্যা ও নোংরা রাজনীতি প্রত্যাক্ষান করেছে বাঙালি জাতি

লেখক ইকবাল আহমেদ লিটন: আমরা যারা রাজনীতিক বা শ্রেনী সচেতন মানুষ বলে নিজেদের দাবী করি তারা আসলে সব চাইতে অচেতন। আমরা ভাবি বাংলাদেশের জনগন অসচেতন, বোকা, অবুঝ ইত্যাদি তাদেরকে যা বোঝানো হয় তাই বুঝে। সত্যিকার অর্থে তা সঠিক নয়। বাংলাদেশের সকল শ্রেনীর জনগনই চুড়ান্ত দৃষ্টিতে সচেতন।

আজকের জনগন সবই বুঝে কিন্তু চুপচাপ আছে কারন জনগন বুঝেগেছে আজাইড়া সময় নষ্ট করে কোনো লাভ নাই। বলতে পারেন কেন ,তারা বিএনপির ওপর বিশ্বাস করবে? বিএনপি কি তাদের বিশ্বাসের মর্যদা রক্ষা করতে পেরেছিলো না ?

তারা যুগযুগ ধরে দেখে আসছে। তারা সামান্ত যুগ দেখেছে, বৃটিশ শাষন আমল দেখেছে, পাকিস্তানিদের বর্বরোচিত হামলা দেখেছে, স্বাধীন বাংলাদেশের সৈরাচার দেখেছে, দেখেছে মেজর খুনি জিয়াকে, দেখেছে খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র, দেখেছে তারেক জিয়ার হাওয়া ভবন। দেখেছে জালাও পুরাও পেট্রোল বোমা সহ ৬৪ জিলায় ৫৬০ টি বোমা মেরে দেশকে অস্থিতিশীল তৈরি করা। দেখেছে তারেক জিয়ার ২১ আগষ্টের বর্বরোচিত হত্যাকান্ড -দেখার মধ্য দিয়েই তারা উপলব্ধি করেছে আসলে সুশাষন, গনতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র সহ নানা তন্ত্র। একা খালেদা জিয়া যে সর্বনাশ করেছে তাতে করে বেগম জিয়াকে আর কোনো দিন মানুষ বিশ্বাস করতে পারবেনা। একেক বার আন্দোলন করেছে মানুষ নামের কু মানুষদের ডাকে রাজপথে নেমেছে জীবন দিয়েছে নিরিহ কছিমুদ্দির ছেলে।

বিএনপি ঠিকই তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করেছে কিন্তু কছিমুদ্দির ছেলেরা কছিমুদ্দির ছেলেই আছে। শোষনের রুপ পাল্টাই কিন্তু চরিত্র পাল্টাই নাই বিএনপির।
বিএনপির রাজনীতিবিদরা বলেন জনগনের আস্থা অর্জন করতে হবে, আমি বলবো জনগন কেন আপনাদে ওপর আস্থা রাখবে??আপনি কি ত্যাগ করেছেন? আপনি কোন ত্যাগ -তো করেননি বরং সেই আমল থেকে জনগনের মাথার ওপর কাঠাল ভেংগে খেয়েছেন, জনগনের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে গুলি চালিয়েছেন। তাই জনগন আর বিশ্বাস করে না বিএনপির কোনো নেতা-নেত্রীকে।
তাই জনগন আর স্বপ্ন দেখে না জিয়া পরিবার নিয়ে। বি এন পি একটি রাষ্ট্র বিরোধী দল। তানা হলে ১০ই ডিসেম্বরে দেশকে অস্থিতিশীল তৈরি করার জন্য এক নতুন ষড়যন্ত্র করছে। কারন ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। আমাদের সবার উচিৎ বিজয়ের মাসকে সন্মান করা। আমি মনে করি অন্তত ফেব্রুয়ারি ,মার্এবং ডিসেম্বর মাস আমাদের প্রত্যেক রাজনীতি দলদের দেশ প্রেম হিসাবে সন্মান করা উচিৎ। সেখানে তারেক জিয়া এবং বি এন পি এদের কাছে দেশ প্রেম বলে কিছু নেই। দশই ডিসেম্বর থেকে শুরু হইয়াছিল ,১৯৭১ সালে মুক্তি যোদ্ধার সময় পাকিস্তানিরা পরাজিত পথে। ঠিক সেই সময় আত্তো সর্মাপন করার আগে তখন বুদ্ধি জীবিদের হত্যা করা। আজ সেই ডিসেম্বর মাসে দশ তারিখে তারেক জিয়া করছে ষড়যন্ত্র। এবং বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ করে ক্ষমতা দখল করতে চায়। বি এন পি বরাবরাই পাকিস্তানের দোষর। বাংলাদেশের উন্নয়ন হোক বাংলাদেশ এগিয়ে যাক এটা বি এন পি কখনো মেনে নিতে পারে না।পদ্ধা সেতু নিয়েও অনেক আজেবাজে কথা বলছে এই বি এন পি।
আমার বিশ্বাস ১০ই ডিসেম্বর বাংলার জনগনই বি এন পি কে তার দাত ভাংগা জবাব দিবে। বাংলার জনগন কোনো দেশ বিরোধী কুলাংগার দেখতে চায় না। নতুন কিছু দেখতে চায় বাংলাদেশ, এবং সেই সুবাদে বাংলাদেশ পেয়েছে তার পরম বন্ধু – বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে যার হাতে বাংলাদেশ সবচেয়ে নিরাপদ।কারন শেখ হাসিনার প্রতি বাংলার জনগনের আস্থা আছে। করোনার মতো পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছে। বর্তমানে সারা বিশ্বে চলছে অর্থ নীতি মুন্দা। আমার বিশ্বাস এবং জনগনের বিশ্বাস সবকিছু কাটিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

সুতরাং – বাংলাদেশর জনগন আর কোন অভ্যুত্থান দেখতে চায় না, আর কছিমুদ্দির ছেলেরাও জীবন দিতে চায় না। জনগন এখন শুধু চায় যেভাবে চলছে দেশ তার সাথে তালমিলিয়ে চলতে দেশতো ভালোই আছে তবে সমস্যা কিসের? আমি এজন্যই বাংলাদেশের জনগনকে সচেতন বললাম যে, জনগন মিথ্যা আদর্শের বুলিতে আর কান দিবে না। জনগন আর বিশ্বাসঘাতকতাই পড়ে দুঃখ পেতে চায় না। অযথা জীবন দিতে চায় না কছিমুদ্দির ছেলেরা।আসুন আমরা সবাই মিলে বি এন পিকে না বলি। বাংলার মাটিতে পাকিস্তানের দোষদের ঠাই নেই।

বাংলাদেশের সকল শ্রেনীর জনগন আসলেই এখন সচেতন এবং চালাক।

জয় বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু।

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ৪:৪০ অপরাহ্ণ
  • ৬:৫২ অপরাহ্ণ
  • ৮:১৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:১১ পূর্বাহ্ণ