হিংসাত্মক মনভাব পরিহার করুন আর মানুষকে মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করুন।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৬, ২০২২, ১০:৪৪ অপরাহ্ন / ৩১৪
হিংসাত্মক মনভাব পরিহার করুন আর মানুষকে মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করুন।

ইকবাল আহমেদ লিটনঃ মাঝেমাঝে খুব ভাবি -মানুষ চেনা বড় কঠিন কাজ। মানুষগুলো বড় স্বার্থপর হয়ে যায়। জীবন অনেক ছোট। আমি মনে করি -হিংসা, বিদ্বেষ, অহংকার কোনটাই করা ঠিক না। একজন মৃত ব্যক্তিকে দেখলেই মানুষের বোঝা উচিত কেন আমরা এত হিংসা করি অহংকার করি?

কেন এতো একে অপরের প্রতি মিথ্যাচার করি।

হিংসা অহংকার একজন মানুষের জন্য কখনো মঙ্গল বয়ে আনে না। ইদানিং দেখছি
মানুষগুলো একজনের পেছনে একজন লেগেই আছে। কারো সুখ কেউ সহ্য করতে পারে না। কেউ এগিয়ে যাক সেটাও মেনে নিতে পারে না। কেন এত হিংসা?

উদার মনের মানুষ পাওয়া বর্তমান যুগে খুব কঠিন। যারা মানুষের সমালোচনা করে,ক্ষমতার জন্য সমাজকে ধংশ করে মানুষকে হিংসা করে -সেই মানুষ গুলোকে দিয়ে সমাজের কোন মঙ্গলকাজ হয় না। মানুষের সমালোচনা করা মানুষকে ছোট করা মানুষের পেছনে লেগে থাকা এই ধরনের কিছু কুরুচির মানুষ আমাদের বর্তমান সমাজে দেখা যায়। এদের কাজ হলো– শুধু মানুষের পেছনে লেগে থাকা। সে নিজে চিন্তা করে না নিজে কি করে যাচ্ছে?? শুধু মানুষের দোষ খুঁজে বেড়ায়। একদিন নিজেরাই এমন ভাবে ছোট হয়ে যায় সমাজের কাছে চিন্তাও করতে পারে না। সেজন্য বলি, উদারচিত্তে মানুষের সেবা করা, মানুষের মঙ্গল চিন্তা করা, মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা মানুষকে সন্মান করা -এটাই হল উত্তম কাজ, একজন ভালো মানুষ হতে গেলে। হিংসা-বিদ্বেষ অহংকার বর্জন করুন তাহলে দেখবেন আপনি নিজেও অনেক বড় হবেন। মানুষের পেছনে লেগে থাকলে, মানুষের মঙ্গল চিন্তা না করলে, সেই মানুষ কখনো বড় হতে পারে না। এটাই প্রমাণিত।
একটা কথা মনে রাখতে হবে, সবাইকে পরের জন্য খারাপ চিন্তা করলে পরের জন্য অমঙ্গল কামনা করলে কাউকে ছোট করলে হেউ করলে একদিন নিজেই ধ্বংস হয়ে যাবেন। কাউকে ছোট করে কেউ কোনদিন বড় হতে পারে না। আসুন আমরা মনকে উদার করি। মানুষের দুঃখে মানুষকে সহযোগিতা করবো, মানুষের সুখে সুখী হব। একজন মানুষ হয়ে কখনো আরেকজন মানুষকে ছোট করবো না।সত্যিকারের মানুষ হতে গেলে অবশ্যই আমাদের এভাবেই চলতে হবে। সবার উপরে মানুষ সত্য।তার উপরে নেই।

পরিশেষে -খুব অল্প সময়েই আমরাও চলে যাবো। আমাদেরও এই ছবিটির মতো পরিণতি হবে। মিথ্যাচার, হিংসা, পেশী শক্তি, অর্থ ক্ষমতা কোনই কাজে আসবে না। তাই আমাদের উচিত —- ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য না হলেও অন্তত আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আয়ারল্যান্ডকে বাসযোগ্য হিসেবে রেখে যাওয়া।

–লেখকঃ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা,
-ইকবাল আহমেদ লিটন।