মেসিদের বরণে গভীর রাতেও জনতার ঢল


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২১, ২০২২, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন / ৭২৪
মেসিদের বরণে গভীর রাতেও জনতার ঢল

বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথম উৎসবটা লিওনেল মেসিরা করেছেন মাঠে। মেসি আর তার সতীর্থদের সেই উৎসবে সেখানে যোগ দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। 

উৎসব ছিল লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে। কাতারের গণ্ডি পেরিয়ে যে উৎসব ছড়িয়ে পড়ে আর্জেন্টিনাসহ পুরো বিশ্বে। মেসি বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে বলে আসছিলেন-ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরতে তর সইছে না তার। দেশের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে চান তিনি। আর্জেন্টাইনরাও অপেক্ষা করছিলেন বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে কখন দেশে ফিরবেন তাদের মহানায়ক।

অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। দেশে ফিরেছেন মেসি। স্থানীয় সময় সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটে বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনা দলকে বহনকারী বিমান ইজাজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। রাত তখন গভীর হলেও বিমানবন্দরের বাইরে ছিল জনতার ঢল। কেউ পতাকা নিয়ে, কেউ জার্সি পরে, কেউ বা স্লোগান দিয়ে, ইউনিসন ও মুচাচোস গান গেয়ে গেয়ে অপেক্ষা করছিলেন মেসিদের আগমনের। তাদের একনজর দেখার জন্য।

রাত ৩টার দিকে বিমানবন্দর থেকে বের হন মেসি-ডি মারিয়ারা। তাদের বহনকারী ছাদখোলা বাসের চারদিকে তখন জনসমুদ্র। তারা নেচে-গেয়ে অভিবাদন জানাতে থাকেন বিশ্বকাপ জয়ী বীরদের।

বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্যরাও তাদের সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করেন নেচে-গেয়ে। খেলোয়াড়দের মধ্যে বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হওয়া এনজো ফার্নান্দেজ ড্রাম বাজাচ্ছিলেন জোর তালে। শুরুতে অবশ্য এই ড্রামটা ছিল লাওতারো মার্টিনেজের কাছে।  তিনিও বেশ কিছুক্ষণ বাজান। অন্যান্যদের মধ্যে কারও কারও হাতে ছিল বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র।

এরপর জনতা আর বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড়রা ‘মুচাচোস’ গানের ব্র্যান্ড সংস্করণের সঙ্গে তালে তালে নাচতে ও গাইতে থাকেন। যে গানটি কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা আনঅফিসিয়াল জাতীয় সঙ্গীতের মতো হয়ে গিয়েছিল।

জনসমুদ্রের মধ্যে সংকীর্ণ একটি পথ তৈরি করে গানের তালে তালে কচ্ছপগতিতে এগোতে থাকে বিশ্বকাপ জয়ীদের বহনকারী ছাদখোলা বাস। অবশ্য জনতার চাপ সামাল দিতে গলদঘর্ম হতে হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।

১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের আনুষ্ঠানিক উদযাপনটা হয়েছিল এখানেই। শুধু বিশ্বকাপ জয় নয়, যেকোনো ক্রীড়ানন্দ উদযাপনের ঐতিহাসিক ভেন্যু এটি।

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ৪:৪০ অপরাহ্ণ
  • ৬:৫২ অপরাহ্ণ
  • ৮:১৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:১১ পূর্বাহ্ণ