পূর্বাচল বিআরটিএ দুর্নীতির আতুর ঘর, দালাল চক্র ও সিন্ডিকেটের জিম্মি।


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৪, ৬:৪৫ অপরাহ্ন / ৩১৩
পূর্বাচল বিআরটিএ দুর্নীতির আতুর ঘর, দালাল চক্র ও সিন্ডিকেটের জিম্মি।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) পূর্বাচলের ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেল এর কার্যালযয়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ। ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির ফিটনেস, মালিকানা পরিবর্তন, রোড পারমিট, করতে গেলো ভোগান্তির বিস্তর অভিযোগ সেবা নিতে আসা মানুষদের।
দ্রুত, গুণগত ও নির্বিঘ্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে ১৭ ডিসেম্বর ২০২২ইংতারিখে জনাব মোঃ নূর মোহাম্মদ মজুমদার, চেয়ারম্যান বিআরটিএ, পূর্বাচলের ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেল শুভ উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে পূর্বাচল বিআরটিএ অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য অতিষ্ঠ যানবাহন মালিক ও চালকরা। দালালকে টাকা না দিলে কাজ হয় না। প্রতারণা আর বিভিন্ন রকম ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ গ্রাহকদেরকে।
পূর্বাচলের ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেলের লাইসেন্স শাখার সহকারী পরিচালক, মোটরযান পরিদর্শক ও মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট নেতৃত্বে ১০ জনের বেশি সদস্যের একটি দালাল চক্র ও সিন্ডিকেট করেন। আর এই অলিখিত দালালচক্র কাজ হলো প্রতি দিন বাহিরের দালালদের থেকে বিভিন্ন মধ্যমে প্রায় ৪-৫ লাখ টাকার অবৈধ ভাবে নিয়ে থাকেন।
ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেল পরীক্ষা বোর্ডের মোটরযান পরিদর্শক অসীম পাল নিজেই দালালদের সাথে যোগাযোগ রাখেন। এই কর্মকর্তা কাউকে তোয়াক্কা না করে। তার ছত্রচ্ছায়ায় রেখেছেন একটি দালাল চক্র। একপ্রকার বলা যায় পরিক্ষা বোর্ড ও পরীক্ষার্থীরা জিম্মি এই চক্রের কাছে।
টাকা দিলে লিখিত পরীক্ষা দিয়ে পাস পেতে কোন অসুবিধা হয় না। শুধু তাই নয়, এর ক্ষেত্রে রেট একটু বেশি মাত্র ৩/৪ হাজার টাকা। প্রতিদিনই এভাবে শত শত পাশ করে নিয়ে যাচ্ছেন গোপনে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দালাল চক্র ও সিন্ডিকেটের লোকেরা অফিসের চেয়ার টেবিল ব্যবহার করে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্সের লার্নার সহ বিভিন্ন কাজ করেন। প্রকাশ্যে টাকা-পয়সা লেনদেন করেন। তাদের সাথে কথা বলে কারো অনুমান করার সাধ্য নেই যে, তিনি ওই অফিসের স্টাফ নন। এইদের মতো আরো রয়েছেন প্রায় দুই ডজন বাহিরের দালাল।
বিআরটিএ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ পরীক্ষার্থী ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে আসেন। প্রতিটি পরীক্ষার্থী থেকে দালালরা ২৫০০ টাকা করে নেন। এবং প্রতিটি পাশের জন্য পরীক্ষার বোর্ডের মোটরযান পরিদর্শক অসীম পাল কে ২০০০ টাকা করে দিতে হয়। প্রতিটি পরীক্ষার বোর্ডে ঘুষ লেনদেন হয় ৪-৫ লক্ষ টাকা।
দালালদের রোল নাম্বার আগেই পরীক্ষার বোর্ডের পরিদর্শক অসীম পাল কে দেওয়া হয়। টাকা-পয়সা লেনদেন হলে অনেকে পরীক্ষার হলে না লিখে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করে থাকেন।
জানা যায়, আর এই টাকা প্রতিদিন রাত্রে বন্টন করে দেওয়া হয় প্রতিটি টেবিলে। এর বড় অংকের একটি টাকা প্রতি সপ্তায় চেয়ারম্যানের দপ্তর ও বিভাগীয় পরিচালক, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কে দেওয়া হয়। বিভাগীয় এই পরিচালকের বিশাল একটি সিন্ডিকেট রয়েছেন। ঢাকা সহ আশেপাশে বিআরটিএর প্রতিটি সার্কেলের সহকারী পরিচালকরা প্রতি বৃহস্পতিবারে বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয় দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে জানতে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে একাধিক বার মোবাইল ফোনে কলদিও ফোন পাওয়া যায়নি।
মুঠোফোনে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয় জানতে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের, সচিব, এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী ভোরের বার্তা কে বলেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা বিআরটিএ নেয়না। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা বোর্ডের সভাপতি জেলা প্রশাসক, পরীক্ষার দিন জেলা প্রশাসকের ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন। আপনার কাছে কোন তথ্য থাকলে গোপনে জেলা প্রশাসকের ফোন দিয়ে জানান। তারপরও আমি বিষয়টি খোঁজখবর নিবো।

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০১ অপরাহ্ণ
  • ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
  • ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
  • ৮:১৫ অপরাহ্ণ
  • ৫:১০ পূর্বাহ্ণ