দক্ষিণ পীরেরবাগে নকশা না মেনে ভবন নির্মাণ করায় উচ্ছেদ : রাস্তার উপর মালামাল রাখায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২৪, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন / ৬০
দক্ষিণ পীরেরবাগে নকশা না মেনে ভবন নির্মাণ করায় উচ্ছেদ : রাস্তার উপর মালামাল রাখায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আমিনুল ইসলাম বাবুঃ রাজধানীর মিরপুর থানাধীন দক্ষিণ পীরেরবাগ এলাকায় আজ মঙ্গলবার ৬ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয়কৃত নির্মাণাধীন ভবনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। রাজউকের জোন-৩/১ আওতাধীন মিরপুর থানাধীন দক্ষিণ পীরেরবাগ এলাকার ২০৬/১, ২০৬/২, ২০৭, ২০৭/১, ২১১, ২১৮-২১৮/১ হোল্ডিং এর প্লটে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এই অভিযান পরিচালনায় করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জোন ৩/১ এর পরিচালক তাজিনা সারোয়ার।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জোন ৩/১ এর আওতাধীন দক্ষিণ পীরেরবাগ এলাকায় আবাসিক প্লটে অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করে ভবনের ডেভিয়েশন, সেট ব্যাক পরিবর্তন ও ভয়েড না রাখা সহ বেশ কিছু অনিয়ম থাকায় রাজউক কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ভবনের অবৈধ বর্ধিতাংশ অপসারণ করা হয়। এছাড়া রাস্তার উপর মালামাল রাখার অপরাধে সিটি করপোরেশন আইনে ২টি প্লট মালিকের নিকট থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান চলাকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ভবনের মালিক পক্ষ তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা দেন এই শর্তে ভবিষ্যতে যেন অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ভবনের বাকি নির্মাণ কাজ না করে।

অভিযান শেষে রাজউক এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জোন ৩/১ এর পরিচালক তাজিনা সারোয়ার দৈনিক ভোরের বার্তা’কে বলেন, অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে রাজউকের এই উচ্ছেদ অভিযান নিয়মিত কাজের অংশ। আমরা আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। ভবনের ভয়েড গুলোর স্থানে ছাদ সম্প্রসারিত করা, ডেভিয়েশন করা সহ সেট ব্যাক পরিবর্তন করায় আমরা ৭টি ভবনের বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে দিয়েছি ও ভূমি মালিকদের শর্তক করেছি যেনো পরবর্তীতে রাজউক অনুমোদিত নকশার বাহিরে ভবন নির্মাণ না করেন।

দক্ষিণ পীরেরবাগ এলাকার উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে রাজউক জোন ৩/১ এর অথরাইজড অফিসার শেখ মাহাব্বীর রনি দৈনিক ভোরের বার্তা’কে বলেন আজ আমরা ৭টি ভবনের বর্ধিত অংশ উচ্ছেদ করেছি এবং ভবন মালিকদের নিকট থেকে তিন শত টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে মুচলেকা নিয়েছি যেন পরবর্তীতে আর রাজউকের প্ল্যানের ব্যত্যয় না করে, করলে আইনের আওতায় আনা হবে। জনস্বার্থে রাজউকের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উচ্ছেদ সম্পর্কে ইমারত পরিদর্শক আলমগীর হোসেনের অনুভুতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজকের এই উচ্ছেদ আমার কাজের একটি সফলতা। আমার আজ ভালো লাগছে। আগামীতেও এরকম ভালো কাজ করে যেতে চাই।

এই উচ্ছেদ কার্যক্রমে জোন ৩/১ এর সহকারী অথরাইজ অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, সকল ইমারত পরিদর্শক সহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।