ঢাকা-১৪ সংসদীয় আসন (মিরপুর-কাউন্দিয়ার) উন্নয়ন


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৪, ২০২৩, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন / ৪১৭
ঢাকা-১৪ সংসদীয় আসন (মিরপুর-কাউন্দিয়ার) উন্নয়ন

ওলি-আউলিয়া, পীর-মাশায়েখ, আউল-বাউলের দেশ বাংলাদেশ। এদেশের মাটিতে বহু বিখ্যাত মহৎ ব্যক্তি জন্মগ্রহন করেছেন। যা দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষায় অকৃত্রিম সুরে সম্পন্ন। নিজস্ব ঐতিহ্য সমৃদ্ধ তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী রাজধানীর মিরপুরস্থ হযরত শাহ্-আলী বাগদাদী (রঃ) এর মাজার শরীফ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এই মাজার শরীফ পৌছে দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। সুলতানুল আউলিয়া হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রঃ) সুদূর ইরাক হতে এদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে এসে এক পর্যায়ে রাজধানীর মিরপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। কালের বিবর্তনে তারই নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসমৃদ্ধ আজকের বিশালাকার এই মাজার শরীফ। দেশ-দেশান্তর হতে বিপুল ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীর সমাগম হতে থাকে এখানে। অবস্থানকালে তারা সাধনকার্যের পাশাপাশি আল্লাহ ও রাসুলের বিষয়ে মানুষকে শিক্ষা দিতেন।
ঐতিহ্যবাহী এই মিরপুর অঞ্চলে রয়েছে ঐতিহ্য সমৃদ্ধ অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। জাতীয় চিডড়িয়াখানা, জাতীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন, শাহ আলীর মাজার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান ইত্যাদি।
ঢাকা-১৪ আসনটি। মিরপুর ,শাহ আলী ও দারুসসালাম থানা, রূপনগরের আংশিক ও সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনের দক্ষিণে মোহাম্মদপুর থানা, পূর্বে কাফরুল ও পল্লবী থানা অবস্থিত, আয়তন ৫৮.৬৬ বর্গ কিলোমিটার। পূর্বে আশুলিয়া ও বিরুলিয়া, উত্তরে পাথালিয়া, দক্ষিনে বনগাঁ। কালের স্বাক্ষী বহনকারী বংশী নদীর তীরে গড়ে উঠা একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল সাভার উপজেলা। কাল পরিক্রমায় আজ সাভার ইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল।
আজ আমাদের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরবো ঢাকা-১৪ আসনের বিভিন্ন উন্নয়নের বাস্তবায়িত কিছু চিত্র।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একটি সুখী সমৃদ্ধ উদার গণতান্ত্রিক এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ-ছিলো যার আজন্ম লালিত স্বপ্ন। পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তারই সুযোগ্যে কন্যা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে ব্রতী হন। তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন, খাদ্য, বস্ত্র সহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও একটি সু-শিক্ষিত সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর। শেখ হাসিনা হাতে নেন সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ।
যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত।তাই শিক্ষাখাতে সর্বপ্রথম জোর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা প্রসারে, শিক্ষা প্রকৌশলী ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সারাদেশের ন্যায় ঢাকা-১৪ আসনে তথা মিরপুর-কাউন্দিয়া ইউনিয়নে আধুনিক মানসম্মত প্রায় ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ তলা, ৬তলা ও ৮তলা স্কুল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৮টি উদ্বোধন করা হয়েছে আর বাকি ১০টি উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

উল্লেখ্য কাজীফরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সম্পন্ন কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, মাধ্যমিক শিক্ষা প্রসারে বিরাট এক গর্ত ভরাট করে এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সার্বিক সহযোগিতায় ২০১৪ সালে দারুসসালাম সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এখানে একটি নান্দনিক চারতলা ভবন নির্মাণ করে দেয়। বিদ্যালয়ে বর্তমানে…… শিক্ষার্থী জন। এই প্রতিষ্ঠানের শতকরা পাশের হার ৯৬.৫৫ ভাগ। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করণে সংযোজীত হয় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শেখ রাসেল আইসিটি ল্যাব।

১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় “মীরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুল”। জাতীয় প্রয়োজনে আদর্শ ও দায়িত্বশীর নাগরিক সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের প্রকৃষ্ঠ জ্ঞান দান করাই বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য। পড়ালেখা ও আনুষঙ্গিক ক্রিয়া কর্মে যথেষ্ট এগিয়ে চলছে “মীরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুল”। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়ে একের পর এক ভবন নির্মাণ করা হয়। পুরাতন ৩/৪ টি ভবনে সংকুলন না হওয়ায় শেখ হাসিনা সরকার এই মীরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুলে একটি নান্দিক চারতলা ভবন নির্মাণ করে দেয়। এরই পাশাপাশি এই স্কুলে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতে শেখ রাসেল আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হয়।
নির্মল ও স্নিগ্ধ পরিবেশে পাইকপাড়া সরকারি ডি-টাইপ কলোনীতে ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মডেল একাডেমি। আভিধানিক অর্থে উদ্ভুদ্ধ একটি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। সরকারি অনুদানে ১টি-সহ সুদৃশ্য তিনটি ৬তলা ভবন, ৪ হাজার শিক্ষার্থী ও ১০৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে বর্তমানে মডেল একাডেমি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য সরকারি অনুদানে শেখ রাসেল ও শেখ রাসেল অফ ফিউচার-সহ তিনটি আইসিটি ল্যাব ও একটি বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপিত হয়েছে। মুক্তিযদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানাতে এখানে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার এবং শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে। শ্রেণি শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশাত্ববোধকে জাগ্রত করে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য বিদ্যালয়ে চারু-কারু কলা ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি মডেল একাডেমিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
বিগত দিনে এ বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার শতভাগ।শিক্ষারমান ধলে রাখায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতায় দেশের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন মিরপুরের এতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস।
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আগা খান মিন্টুর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাধীনভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ কাজ করতে পারছেন বলে জানালেন প্রধান শিক্ষক……..সাক্ষাতকার

কাউন্দিয়া ইউনিয়নঃ-তুরাগ নদীর এই প্রবাহধারা, বর্তমানে একটি খালের মত দেখালেও আদৌ এটি ছিল একটি বিশাল নদী। সাভারের বিরুলিয়া ছিল এর উত্তর তীর এবং মিরপুরের উঁচু ভূমি ছিল এর দক্ষিণ তীর। ঢাকার সন্নিকটে হওয়া সত্বেও একটি নদীর কারণে কাউন্দিয়া ইউনিয়নটি সাভার উপজেলা অধীনস্থ থেকে যায়। এর ফলে কাউন্দিয়াবাসী রাজধানীর নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। পরে ঢাকা-১৪ আসনে এই ইউনিয়নটি যুক্ত হলে এখানে শুরু উন্নয়নের জোয়ার। প্রতিষ্ঠা করা হয় বেশ কয়েকটি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দির ও এরকম পাকা বহু সড়ক। কাউন্দিয়ার শিশু-কিশোরদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় চারতলা নান্দিক এই ভবন ও শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব। এর পাশেই প্রতিষ্ঠা করা হয় তিনতলা বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র।
শহর রক্ষাবাধ ও অন্যান্য উন্নয়নঃ- বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজধানী ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।মিটফোর্ড হাসপাতালের পেছন থেকে ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলের নবাবগঞ্জ, হাজারিবাগ, গাবতলী, মিরপুর হয়ে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। ফলে ১৯৯৮, ১৯৯৮, ২০০৪ ও ২০০৭ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা হলেও রাজধানী ঢাকায় বন্যার পানি ঢুকতে পারেনি। মিরপুর বড় বাজার এলাকায় কয়েক কিলোমিটার জুড়ে তৈরি করা হয়েছে এই রকম নদী রক্ষাবাধ ও মানুষজনের হাটার জন্য ওয়াকওয়ে।
পথ চলায় দেখা মেলে মিরপুর বড় বাজার এলাকায় নদী ঘেষা ৩শ’ বছরের পুরোনো শ্মশানঘাট। পাকিস্তান আমলে বোমিং করে এটি উড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। স্বাধীনতার পর এই শ্মশানঘাটে কোন বিল্ডিং ছিল না, ছিল না মরদেহ সৎকারের কোন সু-ব্যবস্থা। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার আসার আগে যথ সরকারই এসেছে কেউই এই শ্মশান ঘাটের উন্নয়নের কথা চিন্তাও করেনি।বর্তমানে শেখ হাসনিার সরকার ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে দিচ্ছে আধুনিক এই শ্মশানঘাটটি….সাক্ষাতকার….হরি রামপুর শ্মশান ঘাটের সভাপতি শীল হনিন্দ্র চন্দ্র দাস

এই শ্মশানঘাট এর ঠিক উল্টা পাশে শ্রীশ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরের অবস্থান। হিন্দু সম্প্রদায় বাংলা ১২১৪ সাল থেকে মিরপুর বড়বাজারস্থল এই মন্দিরে পূজা অর্চনা ও প্রার্থনা করে আসছিল।কিছু অসাধু লোক গত কয়েক বছর ধরে মন্দিরের এই জায়গাটি দখল করে এখানে বাজারে রূপ দিয়েছিল এলাকার দখলবাজরা।ঢাকা-১৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আগা খান মিন্টু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবর দরখাস্ত করে দখলমুক্ত করে হিন্দুদের হাতে হস্তান্তর করে দেন মন্দিরের এই জায়গাটি।
এদিকে মিরপুর পাইকপাড়ার আহমদনগর অন্তর্গত আনসার ক্যাম্পের পাশে আধুনিক মানের একটি মন্দিরের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এই মিরপুর অঞ্চলে প্রার্থনালয় একেবারে ছিল না বলেই চলে। সেখানে আজ বর্তমান সংসদ সদস্য আয়ার খান মিন্টুর প্রচেষ্টায় এরকম সুন্দর আধুনিক মন্দির নির্মাণ হচ্ছে। একইসঙ্গে অবহেলিত এই মিরপুর অঞ্চলে সরকারি নানান ধরনের বড় বড় প্রতিষ্ঠান সরকারি কর্মচারীদের এসব কলোনি নির্মাণের ফলে এলাকার দৃর্শপট পাল্টে যাচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা……..সাক্ষাতকার হায়দার আলী খান বহুলুল

রাজধানীর গাবতলীর বড় বাজার এলাকায় প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনভেনশন সেন্টার। এটির ফলে এলাকাবাসী বড় কোন অনুষ্ঠান আয়োজনে অন্যত্র যেতে হচ্ছে না। ঢাকা জেলা পরিষদ ২০১১ সালে মিলনায়তনটির নির্মাণ শুরু করে যা ২০১৬ সালে শেষ হয়। মিরপুর বেরিবাধ সংলগ্ন সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনভেনশন সেন্টারে রয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের নির্ধারিত জায়গা, পুরো সেন্টারকে আলোকসজ্জার জন্য রঙিন বাতি, সম্পূর্ন শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত সুবিশাল হল, অটোমেটিক স্টার্ট জেনারেটর-সহ কার পার্কিং সু-ব্যবস্থা।

স্বাস্থ্যসেবাঃ- মিরপুর-১ এর লালকুঠিতে অবস্থিত ২০০ শয্যা বিশিষ্ট মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ হাসপাতালটি। এটি মিরপুরবাসীর জন্য একটি আশীর্বাদস্বরূপ। ঢাকা চৌদ্দ আসন তথা মিরপুরবাসীর কোন শিশু ও গর্ভবতী মায়ের কোন অসুবিধা হলে জরুরী চিকিৎসা সেবা নেওয়ার মতো ভালো মানের সরকারী কোন হাসপাতাল এখানে ছিল না।
শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৫ বছরে সারাদেশের ন্যায় মিরপুরেও কয়েকটি মাতৃসদন, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ২০০ শয্যা মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার পর এখানকার মানুষজন সহ আশপাশের মানুষজন এখানে সেবা নিতে আসে….. হাসপাতালের সাক্ষাৎকার পরিচালক
মসজিদ-মাদ্রাসাঃ- মেইন রাস্তা ধরে হাটতেই দেখা মিলবে একটি চারতলা ভবন। ঘিয়ে রঙের মধ্যে সোনালি কারুকাজ। ছাদে সুদীর্ঘ দুটি মিনার। জানালার কাচগুলো নীলাভ। সুবিশাল প্রবেশদ্বার। ভেতরে সাদা আর খয়েরিরঙা টাইলসের মেঝে। ভবনের চারপাশে গাছগাছালির ছায়া। ব্যস্ত সড়কের পাশে হঠাৎ ভবনটি দেখলে যে কেউ থমকে দাঁড়ান। মিরপুর এলাকায় অবস্থিত নয়নাভিরাম এই ভবনটি একটি জামে মসজিদ। এছাড়াও মিরপুর এলাকায় রয়েছে নান্দনিক সব জামে মসজিদ।
প্রায় ১০ হাজার লোকের বাস এখানে। আগে এখানে একটি ছোট টিনসেট মসজিদ ছিল। ঐ মসজিদে নামাজের জন্য জায়গা সংকুলন না হওয়ায় এখানে একটি বড় মসজিদের প্রয়োজনীয় দেখা দেয়। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আবেদনে সারাদিয়ে এগিয়ে আসেন এমপি আগা খান মিন্টু। ব্যক্তিগত ও নানাভাবে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের ফলে এত সুন্দর একিটি মসজিদ নির্মাণ হয়েছে বলে জানালেন মসজিদ কমিটি……সাক্ষাতকার
মিরপুর কাজীফুরী জামে মসজিদ মাদরাসা ও ঈদগাহ কমপ্লেক্স সংস্কার কাজের সার্বিক সহায়তা করেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আগা খান মিন্টু।

শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ আজ পারমাণবিক জগতে প্রবেশ করেছে। এটি জাতির অহংকার…..সাক্ষাতকার হ্যাপী ভাই সহ ২/১
গ্রামকে শহরের রূপান্তরের লক্ষ্যে কাউন্দিয়া ইউনিয়নে আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা মোতাবেক এই ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যে সমাপ্ত ও চলমান রয়েছে। এই জনপদে নির্মাণ করা হয়েছে নতুন নতুন রাস্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এখানকার সন্তান আগা খান মিন্টুর মাধ্যমে এই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যদের সহযোগিতায় অবহেলিত কাউন্দিয়ায় রাস্তা-ঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার অনেক উন্নয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে….সাক্ষাতকার….২/৩ জন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা মানবেতর জীবনযাপন করবে না। আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস তৈরি করে তাঁদের হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা নিজেই। তিনি বলেন যাদের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে তাদের জন্য সরকার সমস্ত কিছু করবে এবং বীরদের তথ্য সংগ্রহ ও তাদের কবর সংরক্ষণের জন্যও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
এরই প্রেক্ষিতে ঢাকা-১৪ আসনের কাউন্দিয়া ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রফিক চৗধুরীর অবহিল এই কবরটি রক্ষার এগিয়ে আসেন সহযোদ্ধা ও কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সন্তান আগা খান মিন্টু এমপি। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার তারপরই মিরপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নানামুখী উন্নয়ন কাজ করে আসছেন….সাক্ষাতকার মুক্তিযোদ্ধাগণ

বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের সময় থেকেই হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাতীয় সম্মিলনে এক স্বাধীন ভূমির স্বপ্ন সূচিত হতে থাকে। দল, মত, ধর্ম, শ্রেণি নির্বিশেষে ‘আমরা সবাই বাঙালী’ এই স্লোগানে জনগণের ভাবনার পথ হতে থাকে উন্মুক্ত।এটি ধারণ করে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ঢাকা-১৪ আসন মিরপুর, সাহা আলী দারুস সালাম ও কাউন্দিয়ার জনপ্রতিনিধি আগা খান মিন্টু…..সাক্ষাতকার এমপি স্যার
একটি উজ্জ্বল সুখী সুন্দর সোনার বাংলার স্বপ্ন ছিল জাতির পিতার, স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণতন্ত্রের মানস কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ়-সংকল্পবদ্ধ জাতির জনকের শততম জন্মবার্ষিকী মুজিববর্ষে গৃহীত পরিকল্পনা সম্পর্কে তার ইচ্ছার প্রতিফলন ভিশন ২০৪১। নিশ্চিত হবে সবার জন্য মানসম্মত একটি দেশ। এগিয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের দিকে। জাতির পিতার স্বপ্নের সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০১ অপরাহ্ণ
  • ৪:৩০ অপরাহ্ণ
  • ৬:২৬ অপরাহ্ণ
  • ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
  • ৫:৩৩ পূর্বাহ্ণ