১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

    ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনায় ঝুঁকিতে আবাসন খাত

    • Reporter Name
    • Update Time : ০৬:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
    • ২৮২ Time View

    একসময় ৮ থেকে ১০ তলা ভবন এর অনুমোদন পাওয়া যেত যে জমিতে, এখন সেই একই জমিতে চার তলার বেশি অনুমোদন পাওয়া যায় না। এতে অনেকটাই থমকে গেছে আবাসন ব্যবসা। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ত্রুটিপূর্ণ ২০২২- ২০৩৫ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বৈষম্যমূলক ফারের কারণে ঢাকা শহরের লাখ লাখ ভুমি মালিক এখন ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সারা জীবনের সঞ্চিত আমানত ও ব্যাংক ঋণ করে স্বপ্নের এক টুকরো জমি কেনাই যেন এখন গলার কাটা তাদের জন্য। খরচ বৃদ্ধি ও সরকারের অপরিকল্পিত বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ভবন নির্মাণ করা প্রায় অসাদ্ধ হয়ে পড়েছে তাদের জন্য।
    সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর রুপায়ন টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা তুলে ধরেন আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা ডেভলপার এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ। বক্তারা বলেন, বৈষম্যমূলক ড্যাপের কারণে দ্রুত বাড়ছে ফ্ল্যাটের দাম ও বাড়ি ভাড়া। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ অনুসারেই ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ডিডি-রেগ রাজউক, গৃহায়ান মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবকে বিষয়টি বার বার বলার পরও ড্যাপ সংশোধনে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তারা জানান, ঢালাও ভাবে আবাসিক এলাকে বাণিজ্যিক এলাকায় রূপান্তরের বিষয়েও ভাবতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে পরিকল্পিত এরিয়া ২০ % ট্যাগ দিয়ে বাকি ৮০% এরিয়াকে অপরিকল্পিত এরিয়া বলে ভবনের উচ্চতা ও আয়তন কমিয়ে দেয়া অযৌক্তিক। এর ফলে এই শহরে প্রকৃত ভূমি মালিকরা ভবন নির্মাণ করতে পারছে না এবং ফাঁকা জায়গাগুলো, সেমি পাকা জায়গাগুলো পুরাতন রাজীর্ণ ভবনগুলো অস্বাস্থ্যকরই থেকে যাচ্ছে। জমির মালিকরা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। থমকে আছে ভবন নির্মাণ ও এ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আজ ধ্বংসের মুখে। এই ড্যাপ বাস্তবায়ন হওয়ার পর থেকে জমির মালিকরা ভবন নির্মাণ করার জন্য আবাসন কোম্পানিগুলোকে জমি দিতে চাচ্ছেন না। তারা নিজেরাও বাড়ি বা ভবন নির্মাণ করছেন না। নতুন করে ড্যাপ সংশোধন হলে ফের ভবন নির্মাণ শুরু হবে বলে মনে করছে ডিডি-রেগ।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ডেভলপার এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মো: সামিরুল্লাহ বাবুলসহ সংগঠনের সদস্য,বিভিন্ন কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ।

    ×
    3 February 2026 22:23


    Tag :

    Write Your Comment

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Save Your Email and Others Information

    About Author Information

    Jakir Patwary

    জনপ্রিয় পোস্ট

    সিসিকের পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ফারুকের যত সম্পদ

    ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনায় ঝুঁকিতে আবাসন খাত

    Update Time : ০৬:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

    একসময় ৮ থেকে ১০ তলা ভবন এর অনুমোদন পাওয়া যেত যে জমিতে, এখন সেই একই জমিতে চার তলার বেশি অনুমোদন পাওয়া যায় না। এতে অনেকটাই থমকে গেছে আবাসন ব্যবসা। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ত্রুটিপূর্ণ ২০২২- ২০৩৫ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বৈষম্যমূলক ফারের কারণে ঢাকা শহরের লাখ লাখ ভুমি মালিক এখন ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সারা জীবনের সঞ্চিত আমানত ও ব্যাংক ঋণ করে স্বপ্নের এক টুকরো জমি কেনাই যেন এখন গলার কাটা তাদের জন্য। খরচ বৃদ্ধি ও সরকারের অপরিকল্পিত বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ভবন নির্মাণ করা প্রায় অসাদ্ধ হয়ে পড়েছে তাদের জন্য।
    সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর রুপায়ন টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা তুলে ধরেন আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা ডেভলপার এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ। বক্তারা বলেন, বৈষম্যমূলক ড্যাপের কারণে দ্রুত বাড়ছে ফ্ল্যাটের দাম ও বাড়ি ভাড়া। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ অনুসারেই ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ডিডি-রেগ রাজউক, গৃহায়ান মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবকে বিষয়টি বার বার বলার পরও ড্যাপ সংশোধনে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তারা জানান, ঢালাও ভাবে আবাসিক এলাকে বাণিজ্যিক এলাকায় রূপান্তরের বিষয়েও ভাবতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে পরিকল্পিত এরিয়া ২০ % ট্যাগ দিয়ে বাকি ৮০% এরিয়াকে অপরিকল্পিত এরিয়া বলে ভবনের উচ্চতা ও আয়তন কমিয়ে দেয়া অযৌক্তিক। এর ফলে এই শহরে প্রকৃত ভূমি মালিকরা ভবন নির্মাণ করতে পারছে না এবং ফাঁকা জায়গাগুলো, সেমি পাকা জায়গাগুলো পুরাতন রাজীর্ণ ভবনগুলো অস্বাস্থ্যকরই থেকে যাচ্ছে। জমির মালিকরা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। থমকে আছে ভবন নির্মাণ ও এ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আজ ধ্বংসের মুখে। এই ড্যাপ বাস্তবায়ন হওয়ার পর থেকে জমির মালিকরা ভবন নির্মাণ করার জন্য আবাসন কোম্পানিগুলোকে জমি দিতে চাচ্ছেন না। তারা নিজেরাও বাড়ি বা ভবন নির্মাণ করছেন না। নতুন করে ড্যাপ সংশোধন হলে ফের ভবন নির্মাণ শুরু হবে বলে মনে করছে ডিডি-রেগ।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ডেভলপার এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মো: সামিরুল্লাহ বাবুলসহ সংগঠনের সদস্য,বিভিন্ন কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ।

    ×
    3 February 2026 22:23