
মোঃ রুবেল হোসেনঃ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক (এমপিও) বিমল কুমার মিশ্রের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। বিমল কুমার মিশ্র অনৈতিক কর্মকান্ড সাথে জড়িয়ে থাকেন। তার বিরুদ্ধে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো প্রতিকার পায়নি ভুক্তভোগীরা। উল্টো হয়রানীর শিকার হয়েছেন অভিযোগ কারীরা। টাকা নিয়ে কাজ না করে উল্টো হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। বিমল কুমার মিশ্র ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে আছেন। গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট ও দালাল চক্র। শুধু তাই নয় এই সিন্ডিকেট দিয়ে টেন্ডারবাজি দালালি সবই কাজ করান এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা বিমল কুমার মিশ্র। ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম অভিযোগ একাধিকবার তদন্ত হলেও সুফল পান নাই অভিযোগ কারীরা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিমল কুমার মিশ্র নতুন এমপি ভুক্ত না করে এবং উচ্চতর স্কেল না দিয়ে ফাইলগুলো নিষ্পত্তি না করে একটি দালাল চক্র তৈরি করেন। সংশ্লিষ্ট ফাইলের তথ্য পাচার করে বিভিন্ন ফোন নম্বর থেকে ফাইল নিষ্পত্তি করবে বলে মোটা অংকের ঘুষ বানিজ্য করে আসছেন বিমল কুমার মিশ্র। টাকা ছাড়া তিনি কোন কাজই করেন না। দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে ফাইল নিষ্পত্তি করেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, বিমল কুমার মিশ্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছেন। রহস্যজনক কারণে বিমল কুমার মিশ্র প্রতি সদা দয়াবান কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন একই অফিসে থাকার কারনে গড়ে তুলতে দালাল চক্র। এ কারণে তার জবাব দিহিতা করতে হয় না। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত তিনি। ক্ষমতা ও টাকার দাপট এতটাই যে, তার বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়না।
ভুক্তভোগী মোঃ রমজান আলী সাখিদার, মহাসচিব, কারিগরি (বি.এম) কলেজ শিক্ষক সমিতি। একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অভিযোগ সূত্র থেকে জানা যায়, বিমল কুমার মিশ্র, মান্দা বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট এর একটি ফাইল নিষ্পত্তি করবে বলে, বার বার ০২২২২২৪৩০৩৬ নম্বর থেকে কল দেয়। পুনরায় গত ১৮/০৫/২০২৩ইং তারিখ ০১৯৫৬-৬০৮০৩০ নম্বর থেকে ১১ঃ১৫ মিনিটে ফোন দিয়ে তিনি বলেন ১২:৩০ মিনিটে মিটিং আছে। আপনি যদি আমাকে ২০,০০০ হাজার টাকা দেন তাহলে আমি আপনার ফাইল নিষ্পত্তি করে দিবো।
মোঃ রমজান আলী সাখিদার বলেন, এত টাকা এখনই আমার কাছে নাই। তারপর বিমল কুমার মিশ্র বলেন কত টাকা দিতে পারবেন মোঃ রমজান আলী সাখিদার বললেন ১০ হাজার টাকা দিতে পারব। তাহলে টাকা তাড়াতাড়ি দেন, দেরি করবেন না। তিনি বলেন ১২:৩০ মিনিটের পূর্বেই দিতে হবে কেননা স্যার মিটিংয়ে বসবেন। মোঃ রমজান আলী সাখিদার ১২:৩৩ মিনিট ০১৭১৫-৩১৬১৬৮ নম্বর থেকে টাকা পাঠানো হয় যার ট্রানজেকশন নাম্বার Tnx71W50N7S পরে এই নাম্বার থেকে ১০০০০ টাকা পাঠানো হয়।
কিন্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বিমল কুমার মিশ্র ফাইল নিষ্পত্তি না করে ফাইলের তথ্য প্রচার করে সঙ্ঘবদ্ধ দালাল চক্র মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

Reporter Name 









