১০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করার অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৫ Time View

একটি উল্লেখযোগ্য প্রসঙ্গ হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে বিভক্ত রায় দিয়েছিলেন, কিন্তু চূড়ান্ত রায়ে সংসদকে দুই মেয়াদের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে অনেকে দাবি করেন। সরকারের বিরোধীরা অভিযোগ করে যে সরকার আদালতের সেই দিকনির্দেশনা উপেক্ষা করেছে।

অন্যান্য সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে আছে: ২০২৫ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত করা হয়। একই সময়ে, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক করে আইনগত জবাবদিহিতার আওতায় আনার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্দেশ দেয়। বাগেরহাটে আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত ইসিকে চারটি আসন বহাল করে গেজেট জারির নির্দেশ দিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল (পঞ্চদশ সংশোধনী) দিক বিবরণ আদালতের রায় ২০১১ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণা করে। তবে রায়ে বলা হয়, যেহেতু এটি একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক বিষয়, তাই জনস্বার্থে সংবিধানের অধীনে পরবর্তী দুটি নির্বাচন এই ব্যবস্থার অধীনে করা যেতে পারে। সরকারের পদক্ষেপ ২০১১ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করা হয়। উপেক্ষার অভিযোগ বিরোধীরা অভিযোগ করে যে সরকার আদালতের সেই দিকনির্দেশনা (আরও দুটি নির্বাচন এই ব্যবস্থার অধীনে করার সুযোগ) উপেক্ষা করেছে এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থাটি বাতিল করে দিয়েছে। সরকার অবশ্য দাবি করে যে আদালতের মূল রায় অনুযায়ী তারা কেবল ব্যবস্থাটি বাতিলই করেছে।

×
11 March 2026 10:09


Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সিসিকের পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ফারুকের যত সম্পদ

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করার অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে।

Update Time : ০৩:০০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

একটি উল্লেখযোগ্য প্রসঙ্গ হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে বিভক্ত রায় দিয়েছিলেন, কিন্তু চূড়ান্ত রায়ে সংসদকে দুই মেয়াদের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে অনেকে দাবি করেন। সরকারের বিরোধীরা অভিযোগ করে যে সরকার আদালতের সেই দিকনির্দেশনা উপেক্ষা করেছে।

অন্যান্য সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে আছে: ২০২৫ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত করা হয়। একই সময়ে, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক করে আইনগত জবাবদিহিতার আওতায় আনার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্দেশ দেয়। বাগেরহাটে আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত ইসিকে চারটি আসন বহাল করে গেজেট জারির নির্দেশ দিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল (পঞ্চদশ সংশোধনী) দিক বিবরণ আদালতের রায় ২০১১ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণা করে। তবে রায়ে বলা হয়, যেহেতু এটি একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক বিষয়, তাই জনস্বার্থে সংবিধানের অধীনে পরবর্তী দুটি নির্বাচন এই ব্যবস্থার অধীনে করা যেতে পারে। সরকারের পদক্ষেপ ২০১১ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করা হয়। উপেক্ষার অভিযোগ বিরোধীরা অভিযোগ করে যে সরকার আদালতের সেই দিকনির্দেশনা (আরও দুটি নির্বাচন এই ব্যবস্থার অধীনে করার সুযোগ) উপেক্ষা করেছে এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থাটি বাতিল করে দিয়েছে। সরকার অবশ্য দাবি করে যে আদালতের মূল রায় অনুযায়ী তারা কেবল ব্যবস্থাটি বাতিলই করেছে।

×
11 March 2026 10:09