
এক-এগারো ও এর পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানকে রাজনীতিতে ‘ভিলেন’ বানানোর অপ্রতিরোধ্য অপচেষ্টার অংশ হিসেবে অব্যাহতভাবে তার চরিত্র হনন করা হয়েছিল।তাকে জঙ্গি সম্পৃক্ততা, সন্ত্রাসের গডফাদার, দুর্নীতিবাজ ও বিত্ত-বৈভবের মালিক দেখিয়ে মানুষের কাছে খাটো করার পাশাপাশি তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়ার মিশনও নেওয়া হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কারণে দেশান্তরি। তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নস্যাৎ করতে চরিত্র হনন থেকে শুরু করে তাকে সন্ত্রাস-দুর্নীতির ‘বরপুত্র’ বানিয়ে ছেড়েছিল বিগত আওয়ামী সরকার।
২০০৮ সালের ২৪ এপ্রিল একটি দৈনিক পত্রিকায় তারেককে জড়িয়ে আরেকটি প্রতিবেদন করা হয়। এতে তারেক রহমানের সঙ্গে কোকো ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের ছবিও ছাপা হয়। শিরোনাম ছিল, ‘বাবরের ২১ কোটি টাকার ঘুষের মামলার অভিযোগপত্রে তারেক আসামি’। এতিমখানার টাকা আত্মসাতের সঙ্গেও জড়ানো হয় তার নাম। জঙ্গিবাদের সঙ্গে তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে অনেক সংবাদ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ।
একের পর এক মামলায় তাকে বানানো হয় আসামী। দেয়া হয় সাজাও। রাজনীতি থেকে তাকে সরাতে বিগত সরকারের সঙ্গে কলকাঠি নাড়ে প্রশাসন ও বিচার বিভাগের অনেক কর্তাব্যাক্তি। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলায় জামিন হলেও তার দেশে ফেরার পথ কণ্টকাকীর্ণ করতে বহুমুখী ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে একটি চক্র।
Reporter Name 









