
ফুটবলের পাশাপাশি ফুটসালেও বিপ্লব ঘটাতে চায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এরই মধ্যে জাতীয় ফুটসাল দলের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ইরানের কোচ সাঈদ খোদারাহমিকে। আজ বাফুফে ভবনে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এই কোচের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরিচয়পর্বে উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালও। ফুটসালকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘আমরা সামনে ফুটসাল লিগ আয়োজন করব। পুরুষদের পাশাপাশি নারী ফুটসাল দল ও লিগও হবে। বিশ্ব যেভাবে চলছে, আমাদেরও সেভাবে চলতে হবে।’ ফুটবলের জন্য মাঠ সংকট। আর ফুটসালের নিজস্ব কোনো ভেন্যু নেই। হ্যান্ডবল ও মিরপুরের ইনডোর স্টেডিয়ামই হবে বাফুফের ভরসা। অবকাঠামো নিয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা নিজেরা এবং সরকার উভয়ে এক সঙ্গে কাজ করে এ বিষয়টি এগিয়ে নেব।’
ফুটসালের এএফসি আসরে আগে কখনো খেলেনি বাংলাদেশ। আগামী সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়ায় হবে এশিয়ান কাপ ফুটসালের বাছাই পর্ব। এই বাছাই পর্বে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে বাংলাদেশ। এজন্য ফুটসালের এশিয়ার ১৩ বারের চ্যাম্পিয়ন ইরান থেকে কোচ এনেছে বাফুফে। ফুটসাল কমিটির চেয়ারম্যান ইমরানুর রহমান বলেন, ‘আমরা ডেথ গ্রুপে পড়েছি। ইরান অত্যন্ত শক্তিশালী। এরপরও আমরা চেষ্টা করব। ব্যক্তিগতভাবে আমি অবশ্যই চাই গ্রুপের অন্য দুটি ম্যাচও জিততে। আমাদের কোচ এসেছেন; তিনি ৫৩ খেলোয়াড়কে দুই ভাগে দেখবেন। কোচিং স্টাফ ও অন্যান্য চাহিদার বিষয়ে তিনি জানালে আমরা সেগুলো পূরণের চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশ ফুটসাল দলের দায়িত্ব নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত কোচ সাঈদ। তিনি জানান, বাংলাদেশ দলের সঙ্গে মনে রাখার মতো কাজ করে যেতে চাই। তার মতে, ফুটসালে ইরানের তুলনায় বাংলাদেশ হলো শিশু। দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান তিনি। সাঈদ বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। এজন্যই মূলত এসেছি। মিয়ানমারে যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তারাও একই অবস্থায় ছিল। পাঁচ বছর পর তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আমি চাই বাংলাদেশের মানুষও একদিন সাঈদকে মনে রাখবে।’
এক যুগের বেশি সময় ধরে এএফসির ফুটসাল ইনস্ট্রাকটর সাঈদ। মিয়ানমার জাতীয় নারী ও পুরুষ ফুটসাল দলের কোচ ছিলেন তিনি। তার মাধ্যমে ফুটসালে বাংলাদেশও এগিয়ে যাবেÑএ প্রত্যাশা সবার।
Reporter Name 









