০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেদিন রাস্তায় নামব, সেদিন বন্দুকও কিছু করতে পারবে না: কাদের সিদ্দিকী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৪ Time View

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আমি অবাক হয়েছি মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়। এটিও একটি রেকর্ড হয়ে রইল। মুক্তিযোদ্ধারা একত্র হবেন, তাঁদের মিটিং ১৪৪ ধারা জারি করে বন্ধ করা হয়েছে। এটা খুবই ন্যক্কারজনক ঘটনা হয়েছে।’আজ সোমবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের কবি নজরুল সরণিতে (জেলা সদর সড়ক) নিজ বাসভবনের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এ কথা বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। গত শনিবার রাতে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশস্থলে ১৪৪ ধারা জারির প্রতিবাদে কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা এ সমাবেশের আয়োজন করেন। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে কাদের সিদ্দিকীর টাঙ্গাইল শহরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় কাদের সিদ্দিকী বাসায় ছিলেন। এ ছাড়া রোববার বাসাইলে মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু একই দিন একই সময় ছাত্র–সমাজের ব্যানারে ছাত্র সমাবেশ আহ্বান করা হয়। পরে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। ফলে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করতে পারেননি কাদের সিদ্দিকী। প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই পুলিশ টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর বাসার সামনে অবস্থান নেয়ছবি: প্রথম আলো প্রতিবাদ সমাবেশে কাদের সিদ্দিকী তাঁর অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সামনে কঠিন সংগ্রামের দিন আসছে। তোমাদের রাস্তায় নামতে হবে। আজকে যারা এসেছ, আমি খুব খুশি হয়েছি দেখে। শক্তির চেয়ে বড় কিছু নেই, তবে সেই শক্তি হতে হবে নিয়ন্ত্রিত শক্তি। অনিশ্চিত শক্তির কোনো মূল্য নেই। ভবিষ্যতে কর্মসূচি দেব, দৌড়ে আসবে।’ কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘পুলিশ বাইরে লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে, লাঠি যাতে প্রয়োগ করতে না হয়। যেদিন রাস্তায় নামব, সেদিন লাঠি না, বন্দুকও কিছু করতে পারবে না।’ সমাবেশে কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন জয় বাংলা থাকবে। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন বাংলাদেশের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব থাকবেন। আমি আবারও বলছি, যাঁরা হটকারিতা করছেন, তাঁরা শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে একসাথে মেলাবেন না। আপনাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার কাজী আশরাফ ওরফে হুমায়ুন বাঙাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ছানোয়ার হোসেন, বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র রাহাত হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এদিকে, প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই পুলিশ কাদের সিদ্দিকীর বাসার সামনে অবস্থান নেয়। তারা সমাবেশস্থল ঘিরে রাখে।

×
15 May 2026 05:19


Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সিসিকের পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ফারুকের যত সম্পদ

যেদিন রাস্তায় নামব, সেদিন বন্দুকও কিছু করতে পারবে না: কাদের সিদ্দিকী

Update Time : ০৯:০০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আমি অবাক হয়েছি মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়। এটিও একটি রেকর্ড হয়ে রইল। মুক্তিযোদ্ধারা একত্র হবেন, তাঁদের মিটিং ১৪৪ ধারা জারি করে বন্ধ করা হয়েছে। এটা খুবই ন্যক্কারজনক ঘটনা হয়েছে।’আজ সোমবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের কবি নজরুল সরণিতে (জেলা সদর সড়ক) নিজ বাসভবনের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এ কথা বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। গত শনিবার রাতে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশস্থলে ১৪৪ ধারা জারির প্রতিবাদে কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা এ সমাবেশের আয়োজন করেন। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে কাদের সিদ্দিকীর টাঙ্গাইল শহরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় কাদের সিদ্দিকী বাসায় ছিলেন। এ ছাড়া রোববার বাসাইলে মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু একই দিন একই সময় ছাত্র–সমাজের ব্যানারে ছাত্র সমাবেশ আহ্বান করা হয়। পরে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। ফলে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করতে পারেননি কাদের সিদ্দিকী। প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই পুলিশ টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর বাসার সামনে অবস্থান নেয়ছবি: প্রথম আলো প্রতিবাদ সমাবেশে কাদের সিদ্দিকী তাঁর অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সামনে কঠিন সংগ্রামের দিন আসছে। তোমাদের রাস্তায় নামতে হবে। আজকে যারা এসেছ, আমি খুব খুশি হয়েছি দেখে। শক্তির চেয়ে বড় কিছু নেই, তবে সেই শক্তি হতে হবে নিয়ন্ত্রিত শক্তি। অনিশ্চিত শক্তির কোনো মূল্য নেই। ভবিষ্যতে কর্মসূচি দেব, দৌড়ে আসবে।’ কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘পুলিশ বাইরে লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে, লাঠি যাতে প্রয়োগ করতে না হয়। যেদিন রাস্তায় নামব, সেদিন লাঠি না, বন্দুকও কিছু করতে পারবে না।’ সমাবেশে কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন জয় বাংলা থাকবে। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন বাংলাদেশের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব থাকবেন। আমি আবারও বলছি, যাঁরা হটকারিতা করছেন, তাঁরা শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে একসাথে মেলাবেন না। আপনাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার কাজী আশরাফ ওরফে হুমায়ুন বাঙাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ছানোয়ার হোসেন, বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র রাহাত হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এদিকে, প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই পুলিশ কাদের সিদ্দিকীর বাসার সামনে অবস্থান নেয়। তারা সমাবেশস্থল ঘিরে রাখে।

×
15 May 2026 05:19